Trace করুন Yahoo!, Gmail ও Hotmail এ প্রাপ্ত ইমেইল

Trace করুন Yahoo!, Gmail ও Hotmail এ প্রাপ্ত ইমেইল
ধরুন আপনার কাছে একটা ইমেইল আসল যে আপনাকে খুন করা হবে। তখন আপনি কি করবেন।পুলিশকে খবর দেবেন,নাকি ঘরে বসে থাকবেন?যদি আপনি একটু বুদ্ধি করে কোন ip থেকে আপনার ইমেইল এসেছে তা বের করতে পারেন আর তা যদি পুলিশকে দিয়ে দেন তবে BTCL এর সাহায্য খুব সহযেই সেই হুমকি দেয়া লোকটিকে ধরা সম্ভব।যা হোক,এগুলো একটা আষাড়ে গল্পের মত। তবে আমি আজ আপনাদের ইমেইল ট্রেস করার পদ্ধতি শেখাবো।আজ মূলত আমি ইয়াহু!তে প্রাপ্ত ইমেইল এর ip trace করার পদ্ধতি দেখাবো।আর Gmail ও Hotmail আপনি নিজেই পারবেন,আমি খুব সংক্ষেপে বলব।ইমেইল এড্রেস ট্রেস করার পদ্ধতিতে যে জিনিসটা খুব জরুরি তা হল email header।মুলত এর মাধ্যমেই ট্রেস করা সম্ভব হয়।প্রথমে আপনার যে মেইল ট্রেস করতে চান তার email header সংগ্রহ করতে হবে। email header দেখতে নিচের এই লেখা গুলোর মত যা আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে-

Return-Path: <example_from@dc.edu>

X-SpamCatcher-Score: 1 [X]

Received: from [136.167.40.119] (HELO dc.edu)

by fe3.dc.edu (CommuniGate Pro SMTP 4.1.8)

with ESMTP-TLS id 61258719 for example_to@mail.dc.edu; Mon, 23 Aug 2004 11:40:10 -0400

Message-ID: <4129F3CA.2020509@dc.edu>

Date: Mon, 23 Aug 2005 11:40:36 -0400

From: Taylor Evans <example_from@dc.edu>

User-Agent: Mozilla/5.0 (Windows; U; Windows NT 5.1; en-US; rv:1.0.1) Gecko/20020823 Netscape/7.0

X-Accept-Language: en-us, en

MIME-Version: 1.0

To: Jon Smith <example_to@mail.dc.edu>

Subject: Business Development Meeting

Content-Type: text/plain; charset=us-ascii; format=flowed

Content-Transfer-Encoding: 7bit
নিচে email header সংগ্রহের পদ্ধতি দেয়া হল।

Yahoo Mail:

ইয়াহু মেইল ক্লাসিক এবং ইয়াহু মেইল নতুন ভার্সনের জন্য নিয়ম একটু আলাদা।ইয়াহু মেইল ক্লাসিক এর জন্য মেইল ওপেন করে নিচের দিকে Full header অংশটি সিলেক্ট করতে হবে(নিচে দেখানো ছবির লাল অংশ)।তাহলে যে ইমেইল হেডার পাওয়া যাবে তা সংগ্রহ করতে হবে।আর ইয়াহু মেইল নতুন ভার্সন এর জন্য View Full header সিলেক্ট করতে হবে।তাহলে নতুন উইন্ডোতে email header সহ ইমেইল ওপেন হবে।
iloveubangladesh.blogspot.com 2

Gmail:

প্রথমে Open mail>Reply লিঙ্ক>Show Original
gmailheader
একটি নতুন উইন্ডোতে হেডার সহ ওপেন হবে।

Hotmail:

হটমেইলের জন্য সাফারি ব্রাউজার কাজ করবে না।অন্য ব্রাউজার চলবে।প্রথমে যে ইমেইল ট্রেস করতে চান তার উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে View Source নির্বাচন করুন।নতুন উইন্ডোতে email header সহ HTML অংশ পাওয়া যাবে।
hotoption2
সেখান থেকে হেডার টুকু কপি করে সংগ্রহ করুন।
এবার প্রাপ্ত email header টি এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে যে বক্সটি পাবেন তাতে পেস্ট করুন ও Get source নির্বাচন করুন।আপনার প্রাপ্ত ইমেইল এর সকল প্রয়জনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন।
যাদি email header সংগ্রহে কোন সমস্যা হয় তাহলে এই লিঙ্ক থেকে দেখে নিতে পারেন।
ভালো মনে করলে মন্তব্য করবেন।আর তাও যদি সম্ভব না হয় তবে Like বাটনে ক্লিক করবেন।তাহলে আপনাদের মতামত বুঝে যাব।

ডিলিট করে দিন “You may be a victim of software counterfeiting’’ নোটিফিক্যাশন

ডিলিট করে দিন “You may be a victim of software counterfeiting’’ নোটিফিক্যাশন
অন্যতম জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপি। যার সম্পর্কে বা এর জনপ্রিয়তা সম্পর্কে হয়তো বা আপনাকে না বললেও চলবে। আমরা বেশিরভাগই কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা সাধারণ বা পাইরেট সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। বেশিরভাগরই সাধ্য না থাকায় আমরা বাজারের লোকাল ডিস্কের অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় পরে।সাধারনত হয় কি,উইন্ডোজ জেনুইন না থাকলে,উইন্ডোজ ফাইল ইন্সটল করলে যেমন আপনি আপনার ওল্ড ভার্সন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার অথবা উইন্ডোজ মেডিয়া প্লেয়ার কে নতুন ভার্সন এ আপগ্রেড করতে চান তখন ইন্সটল করার সময় আপনার উইন্ডোজ জেনুইন কিনা তা আগে চেক করবে তারপর নতুন ভার্সন এ আপগ্রেড হবে। যদি আপনার উইন্ডোজ জেনুইন না হয় ,উইন্ডোজের সবশেষ আপডেট হালনাগাদ বা সার্ভিসপ্যাক হালনাগাদ করলে এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে।
যাই হোক অনেক সমস্যার মধ্যে একটি সমস্যায় মনে হচ্ছে আমরা প্রায়ই পড়ি। সেটি হচ্ছে You may be a victim of software counterfeiting. এ ধরনের একটি সমস্যায়। খুব সহজেই আপনি এ ধরনের ছোট একটা সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

যাই হোক আপনি রেজিস্ট্রিএডিট দিয়ে এ ধরনের সমস্যার সমাধান করতে পারেন। বিস্তারিত নিম্নরুপ :
  • প্রথমে Run থেকে Regedit টাইপ করে এন্টার দিন এবং HKEY_Local_Machine\ Software\ Microsoft\ WindowsNT\ CurrentVersion\ Winlogon\ Notify এ যান।
  • এখন আপনি Notify ফোল্ডারে লক্ষ্য করুন WGALOGON নামে একটি সফটওয়্যার রয়েছে। এ ফোল্ডারটি ডিলেট করে দিন।
  • এখন চালু থাকা সব প্রোগ্রাম বন্ধ করে কম্পিউটার রিস্টাট দিন।
বেস, হয়ে গেল জেনুইন উইন্ডোজ। আপানাকে আর বিরক্ত করবেনা নোটিফিক্যাশন টি।


যেভাবে বাঁচবেন-You may be a victim of software counterfeiting -সমস্যা থেকে 

আমরা যারা বাজার থেকে কেনা  windows xp operating system (product key-সহ) pcতে  ব্যবহার
করে থাকি, তারা অবশ্যই install করার কয়েকদিন পর এই সমস্যায় পড়ে থাকি-
You may be a victim of software counterfeiting। যারা pcতে internet
ব্যবহার করে থাকেন, তারাই মূলত এর শিকার। আমি নিজেও পরেছিলাম এই সমস্যায়। যাই হোক কথা
না বাড়িয়ে আমি একটি ছোট্র tips দিতে চাই সমস্যাটির।
প্রথমে আপনার pcর start menuতে গিয়ে run করুন regedit. এরপর যথাক্রমে
HKEY_LOCAL_MACHINE>SOFTWARE>Microsoft>Windows NT>CurrentVersion>Winlogon folder টিতে
এ প্রবেশ করে সব Notify keyগুলো delete করে দিয়ে pc restart করুন। আশা করছি
সমাধান পেয়ে যাবেন। এ সম্পর্কে আরোও tricks রয়েছে, আমি এভাবে overcome করতে পেরেছি।

E-mail এর Auto Reply যোগ করতে চাই?

E-mail এর Auto Reply যোগ করতে চাই?

কখনো কখনো দেখি ই-মেইল পাঠানোর সাথে সাথে উত্তর চলে আসে। মনে হচ্ছে যাকে মেইল পাঠালাম তিনি যেন ইনবক্স খুলে বসে আছেন আমার মেইলের অপেক্ষায় আর পাওয়ার সাথে সাথে উত্তর লিখে পাঠিয়ে দিলেন। আসলে কি ব্যাপারটি তাই? না এটি আসলে Auto Reply ঠিক Auto Reply ও না। এটা আসলে vacation response. অর্থাৎ এমন কোথাও বেড়াতে গেলেন যেখানে মেইল চেক করা সম্ভব না আর উত্তর দেয়াও সম্ভব না। তখন এই অপশনটি চালু করে আপনি আপনার ফোন নম্বরটি লিখে দিলেন আর বলে দিলেন যে আপনি একটু বাইরে গেছেন। পরবর্তীতে মেইলের উত্তর দেবেন। এতে করে যিনি মেইল পাঠালেন তিনি উত্তর দেরিতে পেলেও কিছু মনে করবেন না আর জরুরী প্রয়োজনে ফোন করবেন। অনেকে অবশ্য লিখে রাখেন, Mail Received, Received, Thanks for your mail ইত্যাদি।এখানে আমার ব্যক্তিগত মত হল, এই অপশনটি সমসময়ের জন্য চালু রাখা খুব একটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় কারন আমরা যারা মেইল আদান প্রদান করি তারা সবাই জানি যে, মেইল পাঠানোর পর ইনবক্সে যদি
Delivery to the following recipient failed permanently:
এ ধরণের কোন মেইল না আসে তবে সেটা প্রাপকের ইনবক্সে পৌঁছাবেই।
যাই হোক কিভাবে এটা চালু করতে হবে সেটা দেখে নিই:


YAHOO AUTO RESPONSE সার্ভিসটি যেভাবে চালু করবেন !!!

আমি একদিন ড. জাকির নায়েকের নিকট মেইল পাঠালাম । কি অবাক কান্ড !! সাথে সাথেই Auto response পেলাম । আরেকদিন আমার এক বন্ধুর নিকট মেইল পাঠালাম । এখানেও সেই Auto response!!তারপর এই সার্ভিসটি নিয়ে ঘাটাঘাটি করলাম এবং শেষ পেয়েও গেলাম । আপনাকে কেউ যদি মেইল করে তবে সে সাথে সাথেই Auto response রুপে আপনার সেভ করা একটা মেইল পাবে ।
Yahoo Auto Response সার্ভিসটি চালু করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন :
১) www.yahoomail.com এ আপনার আইডি সাইন ইন করুন ।
২) এরপর options হতে Mail Options এ প্রবেশ করুন ।

৩)তারপর Vacation Response প্রবেশ করুন ।

৪) Message Box-এ আপনার যে Message, Auto Response করতে চান তা লিখুন । এরপর Auto respond from & up until ডেট ঠিক করুন ।
৫) Send a sample copy to my inbox এ টিক চিহ্ন দিন । আর যদি চেক করতে চান তাহলে Enable auto-response during your vacation এ টিক চিহ্ন দিন ।
৬)এবার Save Changes এ ক্লিক করে Back to Mail এ ক্লিক করুন ।
কাজ শেষ ।

Yahoo Mail এর ক্ষেত্রে: Options এ Mail Options এ ক্লিক করুন। এবার বামপাশ হতে Vacation Response category এ ক্লিক করুন। এবার auto-response during these dates (inclusive) এ টিক চিহ্ন দিন। আপনি কত তারিখ হতে কত তারিখ পর্যন্ত এই রিপ্লাই চালু রাখতে চান তার সিলেক্ট করে দিন। এবার Save এ ক্লিক করুন। ব্যস হয়ে গেল।


G mail এর ক্ষেত্রে:

এই বাটন থেকে Settings এ অথবা সরাসরি Settings এর ক্লিক করতে হবে। তারপর General tab হতে Vacation responder হতে Vacation responder on সিলেক্ট করতে হবে। Subject এবং Message ফিল্ড এ যা প্রয়োজন লিখে দিয়ে Click Save Changes. ব্যাস হয়ে গেল।

অজানা গানের বিস্তারিত খুজে বের করুন অনলাইনে ,খুজে বের করুন গানের টাইটেল,গায়ক আর অ্যালবামের নাম

অজানা গানের বিস্তারিত খুজে বের করুন অনলাইনে ,খুজে বের করুন গানের টাইটেল,গায়ক আর অ্যালবামের নাম
আচ্ছা আপনারা কি কখনো ঠিক আমার মতই সমস্যায় পড়েছেন যে একটা গান খুব ভালো লেগেছে কিন্তু গানের টাইটেল,গায়ক বা অ্যালবামের নাম এগুলো কিছুই জানেন না।যদি এই ধরনের সমস্যায় পড়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্যই আমার এই টিউন।ভনিতা না করে চলেন মেইন কাজে মনোযোগ দেই।আজকে আমি একটা ইঙলিশ গান শুনতেছিলাম গানটা আমার খুব ভালো লাগে কিন্তু এই গানের টাইটেলে লিখা আছে Track 1 আর কিছু লেখা নাই কি ঝামেলা কে গায়ক অ্যালবামের নাম বা কি কিছুই জানিনা।তখন খুজে বের করলাম AudioTag.info ওয়েব সাইটটি এই সাইটের বৈশিষ্ট হচ্ছে এই সাইটে কোন গানের কিছু অংশ বা পুরোটা আপলোড করলে এটি সাথে সাথে আপনাকে গানের টাইটেল,অ্যালবামের নাম বা গায়কের নাম জানিয়ে দিবে।

প্রথমেই এখানে http://www.audiotag.info/ ক্লিক করে ওয়েবসাইটটিতে চলুন এবার পুরো গানটি বা গানের কিছু অংশ কোন সফটওয়্যার দিয়ে কেটে ওই অংশটি আপলোড করে দিন।এবার প্রসেস এ ক্লিক করুন হিউম্যান ভেরিফিকেশন করুন তারপর দেখুন সকল ইনফরম্যাশন।
ইউটিউবের কোন অডিও ফাইলের লিংক দিলেও এটি আপনাকে ওই ফাইলের বিস্তারিত জানাতে পারবে।

মিডিয়াফায়ার থেকে ডিরেক্ট লিঙ্ক বের করাইয়া ছারুম!!!

মিডিয়াফায়ার থেকে ডিরেক্ট লিঙ্ক বের করাইয়া ছারুম!!!
আমরা সবাই মোটামুটি কিছু না কিছু ডাউনলোড করতে মিডিয়াফায়ারের সম্মুখীন হই। আমাদের যাদের ইন্টারনেট আমার মত ১এমবিপিএস না তারা আবার মিডিয়াফায়ারের ওই ডাউনলোড পেজকে ভয়ানক ভয় পাই। কিন্তু ভয়ের দিন শ্যাষ!!! আইয়া পড়লো মিডিয়াফায়ার প্রযোজিত ও পরিচালিত সুপার হিট ছায়াছবি 'মিডিয়াফায়ার এখন ডিরেক্ট লিঙ্ক সাপোর্ট করে' (বেশী কইয়া ফেললাম নাতো, কইলেও কিন্তু আমার দুষ নাই) হ্যা ভাই মিডিয়া ফায়ার এখন আসলেই ডিরেক্ট লিঙ্ক দেয়। তয় ক্যামতে আহেন দেখিইয়া লই।
একই মিরর থেকে দুই লিঙ্ক আসছে।

কিভাবে???

প্রথমে আপনার মিডিয়া ফায়ার লিঙ্ক টি দেখুন http://www.mediafire.com/download.php?2p55ng3duur10o1 এইবার এই লিঙ্কটিকে ডিরেক্ট করা হলে হবেঃ http://project.krakenstein.net/hardcoded/mediafired/?link=2p55ng3duur10o1
মিডিয়া ফায়ার তাদের প্রত্যেকটি লিঙ্কের জন্য কন্টেন্ট বেস আইডি ব্যাবহার করে, মিডিয়া ফায়ার এই লিঙ্কের http://www.mediafire.com/download.php?0460m0he6vp6dq0 কন্টেন্ট বেস আইডি হচ্ছেঃ 0460m0he6vp6dq0 (http://www.mediafire.com/download.php?2p55ng3duur10o1) আর এই লিঙ্ককে ডিরেক্ট করতে আপনার প্রথমে http://project.krakenstein.net/hardcoded/mediafired/?link= লিখুন তারপর মিডিয়া ফায়ার লিঙ্কের কন্টেন্ট বেস আইডিটা দিয়ে দিন = এর পর। তাতে ডিরেক্ট লিঙ্কটি দারায় এমনঃ http://project.krakenstein.net/hardcoded/mediafired/?link=2p55ng3duur10o1
সব থেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ডিরেক্ট লিঙ্ক মোবাইলেও সাপোর্ট করে। কেউ বুঝতেই পারবে না আপনি আসলে কোথা থেকে এই লিঙ্ক দিচ্ছেন :)
আসলে এই প্রজেক্ট সফল করেছে http://project.krakenstein.net এরা। এদের মন থেকে একটা ধন্যবাদ দেন। আর আমাকে আরেকটা ধন্যবাদ দেন এই বিষয়টা ঘেঁটে ঘেঁটে বের করবার জন্য।
আমরা যারা গানের সাইট চালাতে চাই। তাদের মদ্ধে প্রথম একটা ইচ্ছা থাকে এমন ইসশ ডিরেক্ট লিঙ্ক দিতে পারতাম। এখন থেকে ইচ্ছে মতই ডিরেক্ট লিঙ্ক দেন। এখন অনেক সাইট আছে যারা এমপিথ্রির জন্য ফ্রী ডিরেক্ট লিঙ্ক দেয়। গুগল মামু কইলেই বেবাক কথা জাইনবার পারবেন।

উইন্ডোজের কিছু সমস্যা, সমাধান এবং পরামর্শঃ আপনার ও প্রয়োজন হতে পারে

উইন্ডোজের কিছু সমস্যা, সমাধান এবং পরামর্শঃ আপনার ও প্রয়োজন হতে পারে

আমরা অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যাবহারকারীরা উইন্ডোজের জেনুইন ভার্সন ব্যবহার করতে পারি না আর তাই উইন্ডোজ আপডেট ও দিতে অপ্রস্তুত থাকি। তাই কম্পিউটার এর  উইন্ডোজ আপডেট অপশনটি ডিজেবল করে রাখি। (নিচের চিত্রের মত করেঃ)

তাই আমরা যেন উইন্ডোজ আপডেট দিতে পারি সে কথা নিয়ে ও আরও কিছু কথা নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। একটি ছোট কোড লিখে আমরা আমাদের উইন্ডোজকে আপডেট এর জন্য উপযোগী করে তুলতে পারি। প্রথমে নিচের কোডটি কপি করে নোটপ্যাড এ পেষ্ট করুনঃ
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows NT\CurrentVersion]
“CurrentBuild”=”1.511.1 () (Obsolete data – do not use)”
“ProductId”=”55274-640-7450093-23464″
“DigitalProductId”=hex:a4,00,00,00,03,00,00,00,35, 35,32,37,34,2d,36,34,30,2d,\
37,34,35,30,30,39,33,2d,32,33,34,36,34,00,2e,00,00 ,00,41,32,32,2d,30,30,30,\
30,31,00,00,00,00,00,00,00,62,fc,61,4c,e0,26,33,16 ,05,d3,54,e7,a0,de,00,00,\
00,00,00,00,49,36,c2,49,20,47,0c,00,00,00,00,00,00 ,00,00,00,00,00,00,00,00,\
00,00,00,00,00,00,00,00,00,00,00,33,33,35,30,30,00 ,00,00,00,00,00,00,65,10,\
00,00,74,99,dd,b0,f7,07,00,00,98,10,00,00,00,00,00 ,00,00,00,00,00,00,00,00,\
00,00,00,00,00,00,00,00,00,00,00,00,00,00,00,00,00 ,c4,ae,d6,1c
“LicenseInfo”=hex:e7,77,18,19,f8,08,fc,7d,e8,f0,df ,12,6e,46,cb,3f,ad,b2,dd,b9,\
15,18,16,c0,bc,c3,6a,7d,4a,80,8b,31,13,37,5a,78,a2 ,06,c8,6b,b9,d9,dd,cc,6a,\
9c,c5,9b,77,aa,07,8d,56,6a,7c,e4
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows NT\CurrentVersion\WPAEvents]
“OOBETimer”=hex:ff,d5,71,d6,8b,6a,8d,6f,d5,33,93,fd
তারপর এটাকে সেভ করুন। ফাইল এর নাম দিন Genuine windows এবং পাশে .reg লিখে সেভ করুন। তারপর ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন তারপর Run/Cancel এর মধ্যে Run এ ক্লিক করুন। কাজ শেষ। এখন আপনিও পারবেন উইন্ডোজ আপডেট দিতে কোনো প্রকার জামেলা ছাড়াই। যেমন আমি দিয়েছি। আমার Screen কালো হয়ে যায়নি। এমন কি আমি Security Update পর্যন্ত দিয়েছি। কোনো সমস্যা হয়নি।(নিচের চিত্রে দেখুন)
এখন আসি নতুন কথায়। ধরুন আপনি আপনার কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন আপনার সিকিউরিটির জন্য কিন্তু সেই পাসওয়ার্ড ভাঙ্গা কি খুব কঠিন কাজ? না। মোটেই না। কারন কি জানেন? আপনার যদি ল্যাপটপ হয় তাহলে পাসওয়ার্ড ভাংতে যে কারু কষ্ট হবে কারন ল্যাপটপ এ কম্পিউটার রিস্টার্ট করার জন্য আলাদা কোনো রিস্টার্ট বাটন নেই। কিন্তু ডেস্কটপ হলে ই সিকিউরিটি একজন দক্ষ কম্পিউটার ব্যাবহার কারী হিসেবে খুব সহজে ভেঙ্গে ফেলতে পারেন। কিভাবে?কম্পিউটার অন করার সময় পাসওয়ার্ড চাইলে রিস্টার্ট বাটন চেপে পুনরায় অন করুন। এখন কম্পিউটার Start  হওয়ার সময় কয়েকটা অপশন দেখা যায় তার মধ্যে “ Start with Command Prompt” একটি। স্টার্ট করুন কমান্ড প্রম্পট এর মাধ্যমে।
এখন এতে লিখুন : net user ‘username’ *
যদি আপনার কম্পিটার এর Username KOMOL হয় তবে লিখবেন net user komol *
তারপর দুইবার Enter চাপুন। এতে উইন্ডোজ এর পাসওয়ার্ড নাই হয়ে গেল।
নিচের চিত্রের মতঃ
তারমানে আপনার পিসির পাসওয়ার্ড ভাংতে হলে অবশ্যই ইউজার নেইম জানা থাকতে হবে। তাই লগ অন এর সময় ইউজার নেইম দেখে উপরে প্রদত্ত পদ্ধতিতে আপনার পাসওয়ার্ড ভাঙ্গা সম্ভব। তাই পিসির সুরক্ষা বৃদ্ধির জন্য এমন কোন ব্যবস্থা নেই কি যাতে আপনাকে কম্পিউটারে লগ অন করার সময় ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড উভয় দিয়েই লগ অন করা লাগবে? আছে।
নিচের কোড টি কপি করে নোটপ্যাডে প্যাষ্ট করুনঃ
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\System]
“dontdisplaylastusername”=dword:00000001
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\System]
“LogonType”=dword:00000000
তারপর .reg ফাইল হিসেবে সেভ করুন।তারপর ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন তারপর Run/Cancel এর মধ্যে Run এ ক্লিক করুন।
তরপর Switch To user এ গিয়ে দেখুন লগ অন অপশনটি নিচের ছবির মত দেখাচ্ছে।(আমার কাছে ভাল কেমেরা নেই তাই ছবি টা ভাল হয়নি…তাই দুঃখিত)
এর ফলে আপনার কম্পিউটার আরু বেশী সুরক্ষিত হবে। আপনি যদি মনে করেন এই জিনিসটা জামেলা তাহলে পুরুনু সেটিংসে ফিরে যেতে চাইলে নিচের কোড টা কপি করে নোটপ্যাডে প্যাষ্ট করুন আর তারপর .reg ফাইল হিসেবে সেভ করুন।তারপর ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন তারপর Run/Cancel এর মধ্যে Run এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনি পুরুনো সেটিংস ফিরে পাবেন।
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\System]
“dontdisplaylastusername”=dword:00000000
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\System]
“LogonType”=-
আরো একটা সমস্যা হয় যেটা সেটা হল উইন্ডোজ শাটডাউন হতে অনেক সময় লাগে। বিভিন্ন পেইজ খোলা থাকলে “Force shutdown” করতে বলে। এতে বিরক্ত লাগলে নিচের কোড টা কপি করে  নোটপ্যাডে প্যাষ্ট করুন আর তারপর .reg ফাইল হিসেবে সেভ করুন।তারপর ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন তারপর Run/Cancel এর মধ্যে Run এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনি পুরুনো সেটিংস ফিরে পাবেন।
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Control]
“WaitToKillServiceTimeout”=”2000″
আজ এতটুকুই। কোন প্রকার ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

(4 shared) আপলোডকৃত অডিও ফাইল চিরস্থায়িভাবে ডিরেক্ট লিঙ্ক তৈরি করা

(4 shared) আপলোডকৃত অডিও ফাইল চিরস্থায়িভাবে ডিরেক্ট লিঙ্ক তৈরি করা
আমাদের প্রতিনিয়ত অনেক অডিও ফাইল আপলোড করে ফেসবুক গ্রুপ বা ব্লগ এ শেয়ার করতে হই।। সেখান থেকে যদি  কেউ ডাউনলোড করতে চাই তবে ৪ শেয়ার্ড এ ওয়েট করতে হই এবং মোবাইল থেকে বলতে গেলে কেউ পারেই না বলা যাই।

মিডিয়াফায়ার এর লিঙ্ক কিছুক্ষণ পর অটো Change হই তাই লিঙ্ক রিফ্রেশ করতে হই।। মোবাইল থেকে যারা ডাউনলোড করেন তাদের জন্য মহা জ্বালা এটা :(

৪ শেয়ার্ড এ একটা সুবিধা আছে যে অডিও ফাইল ডাউনলোড এর আগে প্লে করে শোনা যাই।।
এখন ওটা প্লে করে আইডিএম (Internet Download Manager)  এ অডিও ফাইলটি ওয়েট না করেই ডাউনলোড করা যাই।। অবশ্য এটা রিজুম সাপোর্ট করে না।। এম্নিতেও ৪ শেয়ার্ড এ রিজুম সাপোর্ট করে না।।(Without premium account)

এখন ,
মজার ব্যাপার হল
আইডিএম এর কনভার্ট করা ওই ডাউনলোড লিঙ্কটা কখনো Change হই না :)
তাহলে আপনি যদি ওই লিঙ্কটি ব্যাবহার করতে পারেন তাইলে ত কথাই নেই।।

এটার লিঙ্ক অন্য লিঙ্ক গুলির
মতন Change হয়ে যাবে না।। তাই এটা ফেসবুক থেকে শুরু করে সব জাইগাই ইউস করতে পারবেন।। এবং মোবাইল ইউজার রা এটা সরাসরি ডাউনলোড করেতে পারবে কোন কষ্ট ছাড়াই।।
যদি মনে করেন লিঙ্কটি বড় হয়ে গেছে তাইলে এমন সর্ট করতে পারেন

এবং শেয়ার করতে পারবেন।। কেউ জাষ্ট ক্লিক করলেই ডাউনলোড হওয়া শুরু হইয়ে যাবে।।
ফেসবুক এ  ডিরেষ্ট এমপি ৩ লিঙ্ক  শেয়ার করলে তা প্লে করে শোনা যাই।। এবং এটি চিরস্থায়িভাবেই থাকবে।।

[এখানে দেখুন
আপনি এটা আজিবন ডিরেক্ট লিঙ্ক হিসাবে ইউস করতে পারবেন এবং শেয়ারকরতে পারবেন।।
মোবাইল থেকে সরাসরি ডাউনলোড করানোর এটি একটি উত্তম প্রসেস।

মিডিয়াফায়ার ডাউনলোডের সমস্যার(Still not downloading? Repair your downloding) সমাধান

মিডিয়াফায়ার ডাউনলোডের সমস্যার(Still not downloading? Repair your downloding) সমাধান

নিচে দেখুন কি অবস্থা>>>>>>>>>

জানি এই সফটা নিয়ে আগেও টিউন হয়েছে। তবে কালকে থেকে মিডিয়া ফায়ার থেকে ডাউনলোডের যে সমস্যা শুরু হয়েছে তার জন্য আজকে আপনাদের কাছে আমার আসা। প্রথমে সফটা ডাউনলোড করুন
ডাউনলোড শেষে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। তারপর মিডিয়াফায়ার লিংকটি পেস্ট করুন এবং ডাউনলোডে ক্লিক করুন। তারপর 5-10 সেকেন্ড এর মধ্যে আপনার ডাউনলোড শুর হয়ে যাবে। না বুঝলে নিচে দেখুন।

ধন্যবাদ সবাইকে।

সহজে তৈরী করুন Bootable DVD/USB

সহজে তৈরী করুন Bootable DVD/USB
আমরা অনেকেই জানি নেট থেকে Download করা ISO File ডাউনলোড করার পর কিভাবে Bootable DVD/USB তৈরী করতে হয়। কিন্তু যারা নতুন এবং এই Bootable DVD/USB তৈরীর ব্যাপারে খুব একটা দক্ষতা নেই বা নতুন কম্পিউটার ব্যবহার করতেছেন আমার পোষ্টটি তাদের জন্য। কোন প্রকার ভুল হলে আমাকে ক্ষমা করবেন।
আপনি যদি Windows XP ব্যবহারকারী হনঃ
Windows XP তে Software ছাড়া Bootable USB বা DVD তৈরী করার কোন Scope Microsoft কর্তৃপক্ষ রাখেনি আমি যতটুকূ জানি। তাই XP ব্যবহার করে কিভাবে Bootable USB বা DVD তৈরী করা যায় তা নিচে বাখ্যা করলাম।
নিচের লিঙ্ক থেকে Windows 7 DVD/USB Download Tool টি (কিন্তু Windows XP তেও ব্যবহার করা যায়) download করুন।
  • Download
  • তারপর সেটআপ দিয়ে ওপেন করলে নিচের Screanটি দেখতে পাবেন।

    তারপর Browse এ ক্লীক করে আপনার কম্পিউটারের Harddisk এ রাখা ISO ফাইলটিকে দেখিয়ে দিন(নিচের চিত্রের মত:)

    তারপর Open বাটন এ ক্লিক করলে নিচের ছবির মত একটি Page আসবে...

    তারপর Next বাটন ক্লিক করুন, তাহলে নিচের ছবির মত একটি Page আসবে...

    তারপর আপনি নির্বাচন করুন File টিকে কিসে বার্ন করবেন অর্থাৎ USB device না DVD তে। যদি USB device এ করতে চান তবে "USB device" option এ ক্লীক করুন আর যদি DVD তে করতে চান তবে "DVD"option এ ক্লীক করুন। তাহলে নিচের ছবির মত একটি Page আসবে...

    তারপর Begin copying এ ক্লীক করলে নিচের ছবির মত একটি Page আসবে...

    সবশেষে নিচের ছবির মত একটি Page আসবে...

    এখন Start over option এ ক্লীক করুন। তবে DVD তে BURN করার জন্য উপরের পদ্ধতি অনুসরন করে Start over option এ ক্লীক করার পর DVD disk টাকে Nero অথবা অন্য যেকোন ভাল বার্নার দিয়ে অবশ্যই Burn করতে হবে।
    আপনি যদি Windows 7 ব্যবহারকারী হনঃ
    Window 7 যারা ব্যবহার করেন তারা Software ছাড়াও Bootable DVD ( Bootable USB এই পদ্ধতিতে তৈরী করা অসম্ভব) তৈরী করতে পারবেন। প্রথমে যে ফাইলটিকে Bootable DVD হিসেবে Burn করতে চান সেই ISO File টিকে Double click করলে নিচের ছবির মত একটি Page আসবে...

    তারপর "verify disc after burning" লেখা বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে "Burn" click করুন।

    কিছুক্ষন পর DVD drive open হয়ে গেলে বুঝতে হবে যে Bootable DVD তৈরী হয়ে গেছে। এই পদ্ধতিতে Bootable USB তৈরী করা সম্ভব নয়।

    ইংরেজি গানের সাথে লিরিক চান? তাহলে এটা মিস করবেন না

    ইংরেজি গানের সাথে লিরিক চান? তাহলে এটা মিস করবেন না
    আমরা অনেকেই বিশেষ করে তরুন প্রজন্ম ইংরেজি গান শুনতে অনেক পছন্দ করি। এর অনেক ভাল দিক আছে। যেমন ইংরেজি ভাল জানা যায়। তবে এর কিছু সাইড ইফেক্টও আছে। আমরা ওদিকে না যাই।
    আমরা ইংরেজি গান শুনি কিন্তু এর বেশির ভাগ অর্থ আমরা বুঝতে পারি না। কারন তাদের উচ্চারন আমরা বুঝতে পারি না। তাই আপনি যদি ইংরেজি গানের সাথে সাথে লিরিকও দেখেন তাহলে গানও যেমন বুঝতে পারবেন ঠিক তেমনি আপনার ইংরেজি শিক্ষাও হয়ে যাবে। অর্থাৎ এক ঢিলে দুই পাখি যাকে বলে।


    আপনারা হয়তো ভাবছেন এটা অনেক ঝামেলার ব্যাপার এত লিরিক খুজবো কখন আর গান শুনবো কখন? না এত সহজে হতাশ হয়েন না। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, গানের লিরিক আপনাকে খুজে বের করতে হবে না। Minilyrics নামের এই ছোট সফটওয়্যারটি গানের লিরিক নিজে নিজেই খুজে বের করবে। আপনি যখন একটি গান প্লে করবেন তখন এটি অটোমেটিক লিরিক খুজে বের করে আপনার স্ক্রিনে তা শো করবে। এছাড়াও গানে যে লাইনটি শিল্পী বলছে ঠিক সে লাইনটির লিরিক বড় করে শো করবে। অর্থাৎ আপনি গানের সাথে গানের কথাও মিল পাবেন।

    যে সব প্লেয়ার সাপোর্ট করেঃ

    • · Winamp
    • · Windows Media Player
    • · Foobar2000
    • · Apple iTunes
    • · RealPlayer
    • · Quintessential Player
    • · Musicmatch Jukebox
    • · MediaMonkey
    • · The KMPlayer
    • · JetAudio
    • · Yahoo! Music Engine
    • · J. River Media Center
    • · J. River Media Jukebox
    • · XMPlay
    • · BSPlayer
    এছাড়াও সাথে আছে অনেক সুন্দর সুন্দর স্ক্রিন। এটি প্লেয়ার ওপেন করার সাথে সাথে নিজেও ওপেন হবে।

    ডাউনলোড লিঙ্কঃ

    Minilyrics v7.0.570
    সাথে কীজেন ফাইল এবং প্যাচ ফাইল আছে। যেটা দিয়ে খুশি ফুল ভার্শন করে নিন। আর মজার বিষয় হলো ট্রায়াল ভার্শনেরও মেয়াদ শেষ হয় না তবে এত সুবিধা পাবেন না।
    কারো কোন সমস্যা থাকলে মন্তব্যে জানান।
    আশা করি সবার কাজে লাগবে।
    ধন্যবাদ সবাইকে।

    যদি উইন্ডোজ লগইনের পরে কিবোর্ড কাজ না করে

    যদি উইন্ডোজ লগইনের পরে কিবোর্ড কাজ না করে

    ভাইরাস হচ্ছে কম্পিউটার ব্যবহাকারীদের নিত্য দিনের সমস্যা।ফ্রি এন্টিভাইরাস সাধারণত সব ধরনের এন্টিভাইরাস সনাক্ত করতে পারে না। ট্রোজন হর্সের এমনই এক ভাইরাস হচ্ছে Trojan.Win32.VB.dsu যেটা আক্রান্ত বেশীরভাগ কম্পিউটারে acdsee.exe নামে থাকে। এই ভাইরাসের কারণে উইন্ডোজ লগইন করার পরে কম্পিউটারের কীবোর্ড নিস্ক্রিয় হয়ে যায়। ফলে সিস্টেম রিস্টোর বা নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করা ছাড়া কোন উপায় থাকে না। তবে AVG 8.0, Symantece, Kaspersky 2009 এন্টিভাইরাস আপডেট থাকলে এই ভাইরাসটি সনাক্ত করতে পারে।কিন্তু এন্টিভাইরাস ছাড়াই রেজিস্ট্রি এডিট করে এই ভাইরাস থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় এবং কীবোর্ডকে সক্রিয় করা যায়। উইন্ডোজ লগইন করার সাথে সাথে যেহেতু ভাইরাসটি কীবোর্ডকে নিস্ক্রিয় করে দেয় তার মানে লগইন করার পরে ভাইরাসটি চালু থাকে তাই সাধারণভাবে রেজিস্ট্রি এডিট করলে তখনই রেজিস্ট্রি পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। অর্থাৎ আপনার পরিবর্তন কোন কাজে আসে না। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে এমনটি হয়ে থাকে ফলে সমস্যার সমাধান হয় না। আবার অনেক সময় রেজিস্টি নিস্ক্রিয় থাকার ফলে রেজিস্ট্রি এডিটর চালুই করা যায় না। তাই লগইন করার পূর্বেই রেজিস্ট্রি এডিট করে সমস্যার সমাধান করতে হবে। এজন্য প্রথমে উইন্ডোজে লগইন করে সিস্টেম৩২ (C:\WINDOWS\system32, যদি C: এ উইন্ডোজ ইনস্টল করা থাকে) ফোল্ডারে যান। এখানে sethc.exe ফাইলটিকে ব্যাপআপ রাখতে হবে। এজন্য অন্যনামে রিনেম করে বা অন্যকোন ফোল্ডারে কপি করে রাখতে পারেন। এরপরে cmd.exe ফাইলটিকে ডেক্সটপে বা অন্যকোথাও কপি করে sethc.exe নামে রিনেম করুন এবং সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে পেস্ট (ওভাররাইট) করুন এবং উইন্ডোজ লগআউট করুন।এবার Shift কী পরপর ৫বার চাপুন তাহলে কমান্ড প্রোম্পট চালু হবে। কমান্ড প্রোম্পটে regedit.exe লিখে এন্টার করুন তাহলে রেজিস্ট্রি এডিটর খুলবেরেজিস্ট্রি এডিটরে HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\Windows\ShellNoRoam\MUICache এর অধীনে যান। এখানে C:\Windows\help\services.exe নামের একটি স্ট্রিং ভ্যালু আছে সেটা মুছে দিন।এরপরে HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows NT\CurrentVersion\Winlogon এর অধীনে যান। এখানে Shell নামের স্ট্রিং ভ্যালুর উপরে মাউস দ্বারা দুইবার ক্লিক করুন। এখানে Value Data অংশে Explorer.exe রেখে ডানের বাকী তথ্য মুছে দিন এবং রেজিস্ট্রি এডিটর বন্ধ করুন।এবার উইন্ডোজ লগইন করে দেখুন কীবোর্ড ঠিকমত কাজ করছে। এখন পূর্বের ব্যাকআপ রাখা sethc.exe ফাইলটি সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে পেস্ট (ওভাররাইট) করুন।

    Bootable CD or DVD কীভাবে বানাতে হবে

    Bootable CD or DVD কীভাবে বানাতে হবে
    আস্সালামুআলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের Bootable CD or DVD  তৈরি করা দেখাব। এটা খুবই common একটা বিষয়। অনেকেই জেনে থাকবেন। তারপরও যারা জানেন না দেখাচ্ছি তাদের জন্য এ বিষয়ে। ভুল ত্রুটি দয়া করে নিজগুণে ক্ষমা করে দেবেন।
    প্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যার : Nero Burning ROM Ultra Edition, BOOT.img , Daemon Tools(যাদের আছে তাদের প্রয়োজন নেই) ।
    (আমি আপনাদের Nero সফ্টওয়্যারটি একটু পুরনো ভার্সনের দিচ্ছি। এর version.6.6.0.13 । এর Looking টা আমার খুব পছন্দের । তাই আশা করি আপনাদেরও ভাল লাগবে)
    প্রথমেই শুরু করুন  ”Nero Burning ROM” press করে।
    Nero Burning ROM press করার পর দেখবের আপনার সামনে একটা নতুন window হাজির হবে। যারা Bootable CD তৈরি করবেন তারা উপরে CD select করুন। আর যারা Bootable DVD তৈরি করবেন তারা উপরে DVD select করুন।

    আপনি যে BOOT.img Download করেছিলেন সেটা চালুর জন্য Daemon Tools ব্যবহার করুন। CD    অথবা  DVD select করার পর image file option select করুন এবং browse এ click করে আপনার download কৃত BOOT.img   select করে দিন। তারপর Open এ click করুন।

    এখন যে নতুন window চালু হবে তাতে আপনি যে data গুলো bootable বানাতে চান তা Daemon Tools দিয়ে image file বানিয়ে burning list এ সংযোজন করে দিন।
    এখন আপনি তা CD অথবা DVD তে burn করে check করুন, দেখবেন তা bootable হয়ে গেছে।
    আমার জন্য দোয়া করবেন ।

    উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি এবং রেজিস্ট্রি এডিটিং সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য

    উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি এবং রেজিস্ট্রি এডিটিং সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য

    রেজিস্ট্রি কি?

    রেজিস্ট্রি একটি ডাটাবেস সিস্টেম। যেখানে উইন্ডোজ এর সকল সেটিং এবং অপশন সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে। অন্যভাবে বলা যায়, রেজিস্ট্রি হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার, ব্যবহারকারীদের সকল তথ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গঠিত। Win 95 or 98 এর বেলাই ২ টি হিডেন ফাইল (USER.DAT & SYSTEM.DAT) নিয়ে রেজিস্ট্রি গঠিত হয়েছিল। কিন্তু এখন এর সাথে CLASSES.DAT নামক আর একটি ফাইল যুক্ত হয়েছে।

    রেজিস্ট্রি ষ্ট্রাকচার : 

    রেজিস্ট্রি একটি Hierarchical Structure। যা দেখতে ঠিক disk’s directory tree অখবা Windows explorer এরমত।

    রেজিস্ট্রি খোলা:

    রেজিস্ট্রি ওপেন করতে হলে Start -> Run -> Regedit টাইপ করতে হবে। তাহলে রেজিস্ট্রি ওপেন হবে। রেজিস্ট্রি ফাইল: রেজিস্ট্রি ওপেন করার পর আমরা ৬ টি ফাইল দেখতে পাব।এই ফাইল গুলোকে HIVE বলা হয়।

    ১ম টা- HKEY_CLASSES_ROOT – এটিতে File Association, OLE and Windows Shortcut সংক্রান্ত্র সকল তথ্য রয়েছে।

    ২য় টা- HKEY_CURRENT_USER – এটিতে উইন্ডোজ এর একটিভ ইউজার নেম(আপনার কম্টিউটার মোট কতজন ব্যবহার কারী ব্যবহার করে), desktop settings এবং start up menu সংক্রান্ত্র সকল তথ্য রয়েছে।

    ৩য় টা- HKEY_LOCAL_MACHINE – এটিতে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যার সংক্রান্ত্র সকল তথ্য রয়েছে। ৪র্থ টা- HKEY_USERS – এটাতে ও কম্পিউটার ব্যবহার কারীর তথ্য এবং প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য থাকে একটি SID subkey আছে।

    ৫ম টা- HKEY_CURRENT_CONFIG - এটিতে হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন ও বর্তমান ব্যবহারকারী সংক্রান্ত এবং HKEY_LOCAL_MACHINE এর কনফিগারেশন সেটিং সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে।

    ৬ষ্ঠ টা - HKEY_DYN_DATA - এটিতে plug-n-play ডিভাইস সম্পর্কে সমস্ত তথ্য রয়েছে।

    প্রত্যেকটি রেজিস্ট্রির মান ৫টি ATA (Advanced Technology Attachment) ড্রাইভারের মতো মধ্যে রয়েছে -

    REG_BINARY – এখানে সারিবদ্ধভাবে ডাটা গুলো বাইনারি ফরমেটে রয়েছে।এখানে হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত বাইনারি ডাটা আছে.

    REG_DWORD – এখানে ডাট হিসেবে বাইট সংখ্যা সংরক্ষিত। e.g, ‘0’ or Disable and ‘1’ or Enable. REG_MULTI_SZ – এখানে একাধিক স্ট্রিং এবং নাল অক্ষর হিসেবে ডেটা সংরক্ষিত আছে। REG_SZ – এখানে ডাটাগুলো টেক্সট হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।

    রেজিস্ট্রি এডিট:

    রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করলে আপনি ২টি উইন্ডোজ দেখতে পাবেন। বাম সাইটের উইন্ডোজ কে Navigation Pane বলা হয় এবং ডান সাইটের উইন্ডোজ কে Navigation Pane values বলা হয়। রেজিস্ট্রি এডিট এর জন্য আমরা প্রত্যেকটি HIVE এর পাশে একটি চিহ্ন দেখতে পাব। এই চিহ্নে কিল্ক করলে আমারা HIVE এর values গুলো দেখতে পাব এবং এখান থেকে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রিগুরো এডিট করতে পারব। কিছু গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্রি সম্পাদনা!
    ১. সিস্টেম BIOS-র তথ্য জানার জন্য? নিচের নিয়ম অনুসরণ করুন - HKEY_LOCAL_MACHINE/HARDWARE/DESCRIPTION/System এখন আপনি নিচের মত values গুলো দেখতে পাবেন। SystemBiosDate, SystemBiosVersion, ইত্যাদি 2. আপনার
    2.প্রসেসর এর পূর্ণ তথ্য জানার জন্য? নিচের নিয়ম অনুসরণ করুন - HKEY_LOCAL_MACHINE/HARDWARE/DESCRIPTION/System/Central/Processor/O এখন আপনি আপনার প্রসেসর এর পূর্ণ তথ্য খুঁজে পাবেন। 3. কিভাবে উইন্ডোজ এর
    3. Autorun disable করবেন? নিচের নিয়ম অনুসরণ করুন - HKEY_CURRENT_USER\SOFTWARE\Microsoft\Windows\Curre ntVersion\policies\Explorer\NoDriveTypeAutorun তারপর নিচের কোড টুকু পেষ্ট করে দিন।

    বি:দ্র: {শুধুমাত্র উইন্ডোজ এক্সপির জন্য}

    কোড :
    Value                          Meaning
    0x1 or 0x80   Disables AutoRun on drives of unknown type
     0x4    Disables AutoRun on removable drives
     0x8    Disables AutoRun on fixed drives
     0x10    Disables AutoRun on network drives
     0x20    Disables AutoRun on CD-ROM drives
     0x40    Disables AutoRun on RAM disks
     0Xff    Disables AutoRun on all kinds of drives
    ডিফল্ট কোড :
    Value    Operating System
     0x91    Windows Server 2008 and Windows Vista
     0x95    Windows Server 2003
     0x91    Windows XP
     0x95    Windows 2000

    While editing the registry, don’t forget to make restore point because wrong editing of registry may crash your Windows!

    Be Careful and Enjoy!

    উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন

    উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন

    আমরা যখন কম্পিউটার এর উইন্ডোজ এর বিভিন্ন সমস্যায় পরি, তখন তা বাজারের টেকনিশিয়ানের কাছে নিয়ে আসা ছাড়া আর বিকল্প কোন পথ খোলা থাকে না। আর যখন টেকনিশিয়ানদের কছে নিয়ে আসা হয়, তখন তারা অবস্থা ভেদে ২০০-৫০০ টাকার বিনিময়ে তা ঠিক করে দেয়। ঠিক করে দেয় ভাল কথা্ কিন্তু শখের জিনিসটি আবার সমস্যায় পড়বে না এমন কোন নিশ্চয়তা তো আর তারা দিতে পারে না বা দেয় না। একবার চিন্তা করে দেখেন যদি কোন মাসে আপনার কম্পিউটারটি একাধিক বার সমস্যা করে, তাহলে কি উপায় ভাবছেন কি কখনো,  এভাবে আপনাকে গুনতে হবে ১০০০ বা তার বেশি টাকা। তারপর তো আবার সই অনিশ্চয়তা আছেই। তাই যে ভাই-বোনেরা উইন্ডোজ এক্সপি সেট আপ দিতে পারেন না বা কখনো সেটআপ সেটআপ দেয়া চেস্ঠাটুকু করেন নাই, তাদের জন্যই আমার এই টিউনটি করা। আশা করি আপনাদের উপকারে লাগবে। আর আপনাদের উপকারে লাগলেই আমার টিউনটি সার্থক .... আর একটি কথা -অবশ্যই অভিজ্ঞদের জন্য নয়।কম্পিউটার এর পারফরমেন্স ভেদে সময়ের তারতম্য হয়ে থাকে। চলুন শুরু করা যাক -

    উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দিতে তিনটি ধাপ অনুসরন করতে হয়। নিচে ধারাবাহিক ভাবে ধাপগুলো অনুসরন করুন--
    ধাপ - ১ : Installation শুরু .....
    • প্রথমে উইন্ডোজ এক্সপি এর বুটাবল সিডিটি আপনার কম্পিউটারের রমে প্রবেশ করান এবং কম্পিউটারটি পুণরায় চালু করান।
    • কম্পিউটারটি পুনরায় চালুন সময় যখন মনিটরের নিচের দিকে Press any key to boot from CD .. লিখা দেখাবে তখন কি-বোর্ড থেকে যেকোন একটি key চাপুন। Press any key to boot from CD .. লিখাটি কয়েক সেকেন্ডের জন্য থাকে। যদি তা কখোনো মিসটেক করেন, তাহলে আবার পুনরায় কম্পিটার চালু করে চেষ্ঠা করতে হবে। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....
    2
    • Windows XP Professional Setup Screen বা page আসবে। এই সময় আপনার মাউস কাজ করবে না। সুতরাং আপনাকে অবশ্যই বি-বোর্ড ব্যবহার করে কাজ করতে হবে। Welcome page এ Enter চাপুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....
    • 3
    • Windows XP Licensing Agreement page আসলে Licensing Agreement টি পড়তে পারেন। পরের পেজ পড়ার জন্য PAGE DOWN key চাপুন। তারপর F8 key চাপুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....4
    • এই পেজ এ যা করতে হবে, তা হল - আপনাকে হার্ডডিক্স ড্রাইভকে ফরমেট করার জন্য ফাইল সিস্টেম পছন্দ করতে হবে। এখানে by default NTFS file system সিলেক্ট করাই থাকে। আপনার পছন্দমত  ফাইল সিস্টেম পছন্দ করুন এবং ENTER চাপুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....7
    • এরপর উইন্ডেজ এক্সপি অটোমেটিক আপনার C: ড্রাইভের সকল তথ্য মুছে ফেলবে। এবঙ নতুন তথ্য কপি করবে। এরপর আপনি আপনার কম্পিউটারকে ১৫-২০ মিনিটের জন্য ছেড়ে দিতে পারেন। কারন নতুন ফাইল কপি করতে Windows XP ১৫-২০ মিনিট সময় নিবে। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....8
    • এখানেই প্রথম ধাপ শেষ। কিছুক্ষন পর Windows XP নতুন ফাইল কপি করার পর, কম্পিউটার পুনরায় চালু করবে।
    ধাপ - ২ : Continue the installation শুরু .....
    • Windows XP নতুন ফাইল কপি করে পুনরায় চালু হবে। এবং installation process চলতে থাকবে। এই অবস্থান থেকে আপনি আপনার মাউস পয়েন্টার কে ব্যবহার করতে পারবেন। কিছুক্ষণ পর Regional and Language Options page প্রদর্শন করবে। default settings রেখে Next Click করুন। আপনি Regional and Language Options গুলো উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ শেষে Control Panel থেকে পরিবর্তন করতে পারবেন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....9
    • আবারো Next Click করুন।
    • এবার Your Product Key page আসবে। আপনার ক্রয়কৃত Windows XP CD এর মোড়কে যেই সিরিয়াল নম্বরটি দেয়া থাকবে সেটি ক্রমান্বয়ে রিখে দিন। চাইরে নিচের চিত্রে দৃশ্যমান সিরিয়ার নম্বরটি লিখে দিতে পারেন। প্রতি Windows XP installation এ এই সিরিয়াল নম্বর টি দিতে হবে। তারপর Next click  করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....11
    • Computer Name and Administrator Password page আসবে। আপনার পছন্দমত একটি নাম বসিয়ে দিন। নিচের যে ঘর দুটিতে পাসোয়ার্ড এর জন্য খালি আছে সে ঘর দুটি খালি রেখেই Next click করুন। এই পাসোয়ার্ড আপনি সেটআপ শেষে Control Panel থেকে দিতে পারবেন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....12
    • এরপর Date and Time Settings page আসবে। Date and Time অটোমেটিকই সেট হয়ে থাকে। আপনাকে শুধু Time Zone টি  down arrow দিয়ে সঠিক টি নির্বাচন করে দিতে হবে। [আপনাদের সুবিধার্থে Time Zone টি লিখে দিচ্ছি - (GMT -06:00) Astana Dhaka.] তারপর Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....13
    • এখন Windows XP আপনার কম্পিউটারকে configuring করার জন্য দু-এক মিনিট সময় নিবে।
    • এরপর Networking Settings page আসবে। এখানে default setting  রেখে  Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....14
    • এরপর Workgroup or Computer Domain page আসলে Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....15
    • এখানেই দ্বিতীয় ধাপ শেষ। কিছুক্ষন Windows XP কনফিগারেশন কপি করবে। তারপর কম্পিউটার পুনরায় চালু করবে।
    ধাপ - ৩ : Complete the installation শুরু .....
    • ১৫-২০ মিনিট Windows XP কনফিগারেশন কপি করার পর কম্পিউটার পুনরায় চালু করবে।
    • এখানে Display Settings dialog box প্রদর্শন করবে। এখানে ok click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....16
    • তারপর Monitor Settings dialog box প্রদর্শন করবে। এখানে ok click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....17
    • উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ এর চূড়ান্ত stage প্রদর্শন করবে। Welcome to Microsoft  Windows page প্রদর্শন করলে  Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....18
    • Help protect your PC page আসলে Help protect my PC by turning on Automatic Updates now radio button select করে Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....19
    • Ready to register with Microsoft? page আসবে  No, not at this time click করেন,  Next click করেন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....22
    • Who will use this computer? page আসবে, Your Name লিখার পাশে আপনার নাম দিন। যদি আপনার কম্পিউটারে একাধিক ব্যবহারকারী থাকে তবে 2nd User, 3rd User ......... এভাবে নাম বসিয়ে দিন। তারপর Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....24
    • Thank you! Page আসবে, Finish click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন.....25
    • Congratulations! Windows XP setup is complete.
    • এরপর আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুরো ক্রমান্বয়ে ইন্সটাল করতে পারবেন।
    উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে Microsoft এর এই লিঙ্কটাতে একটু ঢূ মেরে আসুন। http://www.microsoft.com/windowsxp/using/setup/winxp/install.mspx

    যোগাযোগ ফর্ম

    নাম

    ইমেল *

    বার্তা *

    13rb Home Soltion Solve Production. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
    Designed by 13rb Design

    Powered by Blogger